ভারত ও থাইল্যান্ডে কমেছে চালের দাম

ভারতের ও থাইল্যান্ডে চালের রফতানি মূল্য গত সপ্তাহে কিছুটা কমেছে। এ সময় ভিয়েতনামে স্থিতিশীল ছিল খাদ্যশস্যটির দাম।

ভারতের ও থাইল্যান্ডে চালের রফতানি মূল্য গত সপ্তাহে কিছুটা কমেছে। এ সময় ভিয়েতনামে স্থিতিশীল ছিল খাদ্যশস্যটির দাম। খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বাজারে চাহিদা কম এবং ক্রয় কার্যক্রম সীমিত থাকায় এশিয়ার চালের বাজারে এমন প্রবণতা দেখা গেছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

ভারতে ৫ শতাংশ খুদযুক্ত সেদ্ধ চালের দাম গত সপ্তাহে ছিল টনপ্রতি ৩৫৩-৩৫৮ ডলার। এটি আগের সপ্তাহের টনে ৩৫৫-৩৬০ ডলারের তুলনায় কম। ভারতে গত সপ্তাহে একই মানের আতপ চালের দাম ছিল টনপ্রতি ৩৫০-৩৫৪ ডলার।

বাজার বিশ্লেষকরা জানান, দাম কমার মূল কারণ নিম্নমুখী চাহিদা ও রুপির বিনিময় হার কমে যাওয়া।

ছত্তিশগড়ের রাইস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুকেশ জৈন বলেন, ‘দাম আরো কমে যেতে পারে এমন সম্ভাবনায় ক্রয়ে বিলম্ব করছে অনেক দেশ। এ কারণে গত সপ্তাহে চালের দাম কমেছে।’

শিল্প ও বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ২০২৬ সালে বিশ্বব্যাপী চালের দাম কমতে পারে। কারণ ভারত, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের মতো প্রধান উৎপাদনকারী দেশগুলো অতিরিক্ত সরবরাহ রফতানি করতে প্রতিযোগিতা করছেন। এ কারণে ক্রেতারা ক্রয় পিছিয়ে দিচ্ছেন।

ভিয়েতনামের ৫ শতাংশ খুদযুক্ত চাল গত সপ্তাহে টনপ্রতি ৩৬২-৩৬৬ ডলারের মধ্যে বিক্রি হয়েছে। এটি আগের সপ্তাহের টনে ৩৬০-৩৬৫ ডলারের তুলনায় প্রায় অপরিবর্তিত। হো চি মিন সিটির এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘চাহিদা কম থাকায় চালের দাম কমে এসেছে।’

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গত বুধবার জানিয়েছে, ভিয়েতনাম চলতি বছর ফিলিপাইনকে ২৫ লাখ টন চাল রফতানির জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে।

থাইল্যান্ডে ৫ শতাংশ খুদযুক্ত চাল গত সপ্তাহে টনপ্রতি ৩৭০-৩৭৫ ডলারে বিক্রি হয়েছে, যা ৪ ডিসেম্বরের পর সর্বনিম্ন। ব্যাংককভিত্তিক এক চাল ব্যবসায়ী বলেন, ‘চাহিদা কমে যাওয়ায় চালের দাম কমেছে। এছাড়া প্রধান উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলো থেকে সামনের দিনগুলোয় চাল সরবরাহ আরো বাড়তে পারে।’

আরও